Saturday, May 30, 2020

যেভাবে বিসিএস মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিবেন।

যেভাবে বিসিএস মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিবেন।

Any viva is a game. এই গেইমে নিজেকে পণ্ডিত প্রমাণ করা নয় – কনভিন্স করে জিততে হয়। কনভিন্স করার জন্য দুটো জিনিস প্রয়োজন হয় – Confidence & modesty. ভাইভাতে অনেক প্রশ্নই কমনসেন্স থেকে করে। আর সেগুলোর জন্য আত্মবিশ্বাস আপনাকে এগিয়ে রাখবে। তাই কনফিডেন্ট হোন। কত যদু, মধু ভাইভাতে কত ভালো করছে, তাহলে আমি কেন নয়। এই ভাবটা অন্তর দিয়ে অনুভব করুন। কনফিডেন্স আসবে। এরপর বিনয়। কোন বসই পণ্ডিত চায় না, একজন competent & loyal লোক চায়। আপনি নিজেও যদি ভাইভা নেন, তখন নিজেকে মনে হবে জ্ঞানবৃক্ষ আর পরীক্ষাত্রীদের মনে হবে অবোধশিশু, চারাগাছ। তাই পরীক্ষক কখনোই এক্সপেক্ট করেন না যে, পরীক্ষার্থী তাকে হাইকোর্ট দেখাবে। তাই অবশ্যই যে কোন অবস্থাতে বিনয়ী থাকতে হবে। ।
বিসিএস মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি
.
কিভাবে শুরু করবেন?
বিসিএস ভাইভা হয় মূলত ক্যাডার চয়েসের উপর। একটা নতুন বা পুরাতন যে কোন ভাইভা গাইড জোগাড় করুন। প্রশ্নের ধরন দেখুন। গাইড ও ইন্টারনেট থেকে ফার্স্ট আর সেকেন্ড চয়েজের সাধারণ বিষয়গুলি দেখে ফেলুন। তবে এর জন্য ঘুম হারাম করার কোন দরকার নাই। বিসিএস ভাইভার জন্য এগুলো ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ না। তবে এগুলো না জানলে কনফিডেন্স আসবে না। গাইডের উত্তর ৯০% ক্ষেত্রে আপনার পছন্দ হবে না, তখন ইন্টারনেট দেখুন। কিছু জিনিস লিখে ফেলুন। এতে উত্তরগুলো গাইডের মত না, নিজের মত হবে।
.
গুরুত্বপূর্ন  ব্যাপারঃ
কয়েকটা কমন প্রশ্ন প্রায় সবাইকে করে। এগুলো নিজে তৈরি করে লিখে ফেলুন। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর গতানুগতিক না দিয়ে একটু আলাদা করে বলতে চেষ্টা করুন। নিজের উত্তরের সাথে ইউনিক (আলাদা কিছু যা একান্তই আপনার) কিছু যোগ করতে পারলে – সেটা কাজে দেবে। এরকম কিছু কমন প্রশ্ন হলো –
(i) কেন বিসিএস দিচ্ছেন? (ii) ফার্স্ট চয়েস এটা কেন? (iii) আপনার একাডেমিক সাবজেক্টের সাথে ফার্স্ট চয়েস কিভাবে রিলেটেড? (iv) নিজ জেলা সম্পর্কে – জেলার বিখ্যাত ব্যক্তি, নদী, জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, নামকরণ, জেলার বিখ্যাত কয়েকজন সিভিল সার্ভিস অফিসারের নাম। (v) নিজের নাম বা জন্মদিনঃ নিজের নামে কোন বিখ্যাত ব্যক্তি থাকলে তাঁর কথা জেনে নিন। নিজের জন্মদিন কোন বিশেষ দিন হলে সেই দিনের ইতিহাস জেনে নিন।
এসব প্রশ্নের উত্তর মুখস্ত টাইপ না, গল্প টাইপ করে বলতে পারলে ভাল হয়। গাইডের উত্তর না, একেবারে নিজের জীবনের কিছু বলতে পারলে সেটা বিশ্বাসযোগ্য হয়। যেমন, কেন বিসিএস দিচ্ছেন – এ প্রশ্নে আমার উত্তর ছিলো মোটামুটি এরকমঃ ‘স্যার আমি কিছুদিন সফটওয়্যার কোম্পানিতে কাজ করেছি। বিদেশী কোম্পানির আউটসোর্সিং কাজ। কিন্তু দিন শেষে বাসায় ফিরে মনে হতো – আমি কার জন্য কী করছি! এখানে বেতন ছাড়া আমার কোন প্রাপ্তি নেই। ছোটবেলা থেকে যেভাবে নিজেকে দেখতে চেয়েছি, প্রাইভেট জবে সেভাবে নিজেকে পাচ্ছি না, মানসিক শান্তি পাচ্ছি না। আমি দেশের জন্য আরো বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ চাই। প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী হতে পারলেই আমি সেই সুযোগটা পেতে পারি। এজন্যেই বিসিএস দিচ্ছি, স্যার।’
.
সাম্প্রতিক বিষয়ঃ
একেবারে সাম্প্রতিক বিষয়গুলোই প্রশ্নকর্তার মাথায় বেশি থাকে। এজন্য পত্রিকার সম্পাদকীয় পাতার কয়েকটা কলাম প্রতিদিন পড়ুন। অনেকে টকশো দেখার কথা বলেন। কিন্তু এখন এত বেশি টকশো হয় যে, এতে প্রিপারেশানের সময় নষ্ট আর ইনফরেশান বিচ্যুতির সম্ভাবনা থাকে।
.
Common Sense of Viva:
ভাইভার কিছু কমন বিষয় যেগুলো আপনি জানেন। আমি আবার মনে করিয়ে দিচ্ছিঃ
(i) অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করুন। সালাম দিয়ে, অনুমতি নিয়ে বসুন।
(ii) স্মাইলিং ফেইস রাখা জরুরী।
(iii) আই-কন্টাকঃ ভাইভা বোর্ডের সবার সাথে আই-কন্টাক বজায় রাখুন। ভাইভা বোর্ডে ৩/৪ জন থাকেন। একটি প্রশ্ন যিনি করবেন, উত্তরের সময় তাঁকে মূল ফোকাস দিয়ে সবার দিকে অন্তত একবার তাকান। বিসিএস ভাইভাসহ অনেক ভাইভাতেই একজন মনোবিজ্ঞানী থাকেন। উনি কিচ্ছু বলেন না। চুপচাপ বসে থাকেন। ওনাকে অবহেলা করবেন না। অবশ্যই ওনাকেও আই কন্টাকে রাখুন।
(iv) পোশাকঃ মার্জিত কিন্তু নিজের জন্য কমফোর্টেবল পোশাক পড়ুন। সেটি স্যুট হতে পারে, শার্ট-প্যান্টের সাথে টাই, শাড়ি, সেলোয়ার-কামিজ যে কিছু হতে পারে। যেটা পড়লে আপনি নিজেকে একজন অফিসারসুলভ মনে করবেন, সেটাই পড়ুন। ৩৪-তম বিসিএসের ভাইভার আগে আমাকে এক পরীক্ষার্থী জিজ্ঞেস করল, ভাইয়া কোন টেইলার্স থেকে স্যুট বানাবো। সে ধরেই নিয়েছে, স্যুট তাঁকে পড়তেই হবে। আর টেইলার্সের খবর দিতে আমিই যোগ্য ব্যক্তি। কদিন পড়ে সে আবার খবর দিল, সে বারো হাজার টাকা দিয়ে এক বিখ্যাত টেইলার্স থেকে স্যুট বানিয়ে ফেলেছে। বেশ মজা লাগলো। কিন্তু ওর এপ্রোচটাকে অবশ্যই পজিটিভলি নিলাম। সে যেটা ঠিক মনে করেছে, সেটা করে ফেলেছে। পোশাকের জন্য এটাই সঠিক এপ্রোচ।
(v) কোনমতেই argue করা বা তর্ক করা যাবে না। Interviewer যদি ভুলও বলে, তবে ভুলটা মেনে নিয়ে বিনয়ের সাথে নিজের টুকু যোগ করা যায়, তাঁর বেশি নয়।
প্রশ্ন কি ইংরেজীতে করবে?
ভাইভাতে ২/১ টা প্রশ্ন ইংরেজিতে করে। আর যাদের ফরেন ফার্স্ট চয়েস, তাঁদের বেশিরভাগ প্রশ্নই ইংরেজীতে করতে পারে। বিদেশি ভাষায় সবারই সমস্যা থাকে। তাই এই সমস্যা নিয়া ভাবার দরকার নাই, ভাবুন এটা সবারই জন্য কম-বেশী একই। ইংরেজী বলার ভীতিটা যাদের বেশি, তাঁরা দুটি কাজ করতে পারেনঃ
(i) কমন প্রশ্নগুলার ইংরেজী উত্তর নিজে নিজে বলে সেটি মোবাইলে রেকর্ড করুন। এরপর শুনুন। নিজেই বুঝবেন কিভাবে বললে আরও ভালো হতো। পরের বার রেকর্ডে অবশ্যই উন্নতি হবে। এ্যাঁ, আঁ, উঁ …এসব বাদ দিয়ে ইংরেজী বাক্য স্মার্টলি শেষ করার জন্য এর চেয়ে ভালো টেকনিক আর নেই।
(ii) কমন প্রশ্নগুলার ইংরেজী উত্তর প্রেমিক/প্রেমিকা/বন্ধুর কাছে বলতে পারেন। আফসোস, আমার প্রেমিকা সেই সময় কাছে আসলে, তাঁর সাথে কালিদাসও আসত – ‘মেঘদূত’ হাতে নিয়ে। তাই পরীক্ষার আলাপ পাত্তাই পেত না। আপনার তো সেই সমস্যা নেই।


বিসিএস লিখিত সিলেবাস বাংলায়

বিসিএস লিখিত সিলেবাস বাংলায়

শিক্ষা জীবন শেষ করে সব থেকে সম্মানিত ও আকর্ষণীয় কর্মজীবনের নাম বিসিএস। বর্তমান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বা গ্র্যাজুয়েট যেকোন শিক্ষার্থী নিজ ক্যারিয়ার তৈরি করতে চান একজন বিসিএস ক্যাডার হিসেবে।বিসিএস পরীক্ষায় সফল হতে গেলে লিখিত পরীক্ষা গুরুত্ব সব থেকে বেশি ।এটার উপর নির্ভর করে আপনার পুরো বিসিএস পরীক্ষার রেজাল্ট।

বিসিএস লিখিত সিলেবাস বাংলায়

বিসিএস লিখিত পরীক্ষার নম্বর বন্টন (আবশ্যিক বিষয়)
1.বাংলা (১ম ও ২য় পত্র)=১০০+১০০=২০০ নম্বর
2.ইংরেজি (১ম ও ২য় পত্র)= ১০০+১০০=২০০ নম্বর
3.গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা = ৫০+৫০=১০০ নম্বর
4.সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি = ৬০+৪০=১০০ নম্বর
5.বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১ম ও ২য় পত্র)= ১০০+১০০=২০০ নম্বর
6.আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী = ১০০ নম্বর
7.পোস্ট রিলেটেড সাবজেক্ট (শুধু প্রফেশনাল/টেকনিক্যাল ক্যাডার) = ২০০ নম্বর
মোট= ৯০০+২০০=১১০০ নম্বর
1.বাংলা (১ম ও ২য় পত্র)
১।বিসিএস প্রিলিমিনারির বাংলা ভাষা ও সাহিত্য গাইড (প্রফেসরস/এমপিথ্রি/ওরাকল ও অন্যান্য)
২।বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (বোর্ড গ্রামারঃ ৯ম-১০ম শ্রেণী)
৩।উচ্চতর স্বনির্ভর বিশুদ্ধ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ
৪।লাল নীল দীপাবলি বা বাংলা সাহিত্যের জীবনী (হুমায়ুন আজাদ)
৫।বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)
৬।যেকোন প্রিলিমিনারি ডাইজেস্টের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অংশ
৭।বিসিএস রিটেনের বিগত বছরের প্রশ্ন
৮।বিসিএস রিটেনের গাইড বই (প্রফেসরস কিনতে পারেন; অথবা অন্য যেকোন প্রকাশনী)
2.ইংরেজি (১ম ও ২য় পত্র)
১।অ্যাসিওরেন্স রিটেন গাইড (অথবা অন্য যেকোন প্রকাশনী)
২।Advanced Learners Functional English by Chowdhury and Hossain
৩।Common Mistakes in English by T J Fitikides
৪।A Complete Practical English Exam Wordbook by Kutub-E-Zahan
৫।Applied English Grammar and Composition by P.C. Das
৬।CLIFFS TOEFL by Pyle and Page
৭।Practical English Usage by Michael Swan
৮।English Grammar & Composition by WREN & MARTIN
৯।বিসিএস রিটেনের বিগত বছরের প্রশ্ন
3.গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা
১।মাধ্যমিক বীজগণিত (৯ম-১০ম শ্রেণী)
২।মাধ্যমিক জ্যামিতি (৯ম-১০ম শ্রেণী)
৩।মাধ্যমিক উচ্চতর গণিত (৯ম-১০ম শ্রেণী)
৪।নিম্ন মাধ্যমিক/প্রাথমিক গণিত (৮ম শ্রেণী)
৫।বিসিএস রিটেনের বিগত বছরের প্রশ্ন
৬।ওরাকল গাণিতিক যুক্তি (অথবা অন্য যেকোন প্রকাশনী)
৭।ওরাকল মানসিক দক্ষতা (অথবা অন্য যেকোন প্রকাশনী)
4.মাধ্যমিক সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
১।মাধ্যমিক সাধারণ বিজ্ঞান (৯ম-১০ম শ্রেণী)
২।মাধ্যমিক পদার্থ বিজ্ঞান (৯ম-১০ম শ্রেণী)
৩।মাধ্যমিক রসায়ন বিজ্ঞান (৯ম-১০ম শ্রেণী)
৪।মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান (৯ম-১০ম শ্রেণী)
৫।উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকোশলী মুজিবুর রহমান (১১শ-১২শ শ্রেণী)
৬।বিসিএস রিটেনের বিগত বছরের প্রশ্ন
৭।ওরাকল সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (অথবা অন্য যেকোন প্রকাশনী)
5.বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১ম ও ২য় পত্র)
১।বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় (৯ম-১০ শ্রেণী)
২।জাতীয় দৈনিক (প্রথম আলো, যুগান্তর, ইত্তেফাক ও অন্যান্য)
৩।কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স জাতীয় মাসিক পত্রিকা
৪।বাংলাপিডিয়ার ওয়েবসাইট
৫।মুক্ত বিশ্বকোষ Wikipedia
৬।বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট
৭।জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৮।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
৯।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট
১০।বিসিএস রিটেনের বিগত বছরের প্রশ্ন
১১।বিসিএস রিটেনের গাইড বই (প্রফেসরস কিনতে পারেন; অথবা অন্য যেকোন প্রকাশনী)
6.আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
১।জাতীয় দৈনিক (প্রথম আলো, যুগান্তর, ইত্তেফাক ও অন্যান্য)
২।কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স জাতীয় মাসিক পত্রিকা
৩।মুক্ত বিশ্বকোষ Wikipedia
৪।বিসিএস রিটেনের বিগত বছরের প্রশ্ন
৫বিসিএস রিটেনের গাইড বই (প্রফেসরস কিনতে পারেন; অথবা অন্য যেকোন প্রকাশনী)
বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস

বিসিএস পরীক্ষার প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। আসলে এটি শুধু প্রথম চ্যালেঞ্জ না, সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জও। কারণ এই প্রথম ধাপেই সবথেকে বেশি প্রার্থী বাদ যায়। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার খুটিনাটিসহ প্রত্যেকটি বিষয়কে ধরে ধরে পড়তে পারলে প্রস্তুতি সহজ হয়ে যাবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো, আপনাকে কম সময়ের মধ্যে প্রচুর তথ্য মাথায় রাখতে হবে। কিন্তু আপনি যদি একটু টেকনিক অবলম্বন করে, সঠিক পরিকল্পনা করে পড়াশুনা করেন, তাহলে খুব অল্প সময়েই ভাল মার্ক পাওয়া সম্ভব। নিজেকে বার বার মোটিভেট করা একই কাজের জন্য আসলেই খুব শক্ত একটি কাজ। কিন্তু কিছুই করার নেই, কঠিন পথ পাড়ি দিতে গেলে কঠিন কিছু করতে হবে, এটাই স্বাভাবিক। কথাগুলো খুব গতানুগতিক মনে হলেও বাস্তবতা এটাই।
বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস

1.বাংলা ভাষা ও সাহিত্য:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অংশে ভাষা ও সাহিত্য দুই অংশ থেকে প্রশ্ন আসে। ভাষা থেকে ১৫ নম্বর এবং সাহিত্য থেকে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। ভাষা অংশে প্রশ্ন আসবে প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি, পরিভাষা, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ, ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ, বাক্য, প্রত্যয়, সন্ধি ও সমাস থেকে। সাহিত্য অংশে প্রাচীন ও মধ্যযুগ থেকে ৫ নম্বর এবং আধুনিক যুগ (১৮০০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত) থেকে ১৫ নম্বরের প্রশ্ন আসবে।
2.English Language and Literature:
ইংরেজি অংশে গ্রামার থেকে ২০ নম্বর এবং সাহিত্য থেকে ১৫ নম্বরের প্রশ্ন করা হবে। ব্যাকরণ অংশের জন্য Parts of Speech, Noun, Determiner, Gender, Number, Pronoun, Verb, Adjective, Adverb, Preposition, Conjunction, Idioms & Phrases, Clauses, Corrections, Tense, Preposition, Subject-Verb Agreement, Sentences & Transformations, Voice, Degree, Synonyms, Antonyms, prefixes and suffixes, paragraph, letters, applications থেকে প্রশ্ন করা হবে। লিটারেচার বা সাহিত্য অংশের জন্য Names of writers of literary pieces from Elizabethan period to The 21st Century এবং Quotations from drama/ poetry of different ages বিষয়গুলো দেখতে হবে।
3.বাংলাদেশ বিষয়াবলী:
এ অংশে বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী যেমন: প্রাচীনকাল হতে সম-সাময়িক কালের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি; বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস: ভাষা আন্দোলন; ১৯৫৪ সালের নির্বাচন; ছয়-দফা আন্দোলন, ১৯৬৬; গণ অভুত্থান ১৯৬৮-৬৯; ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন; অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১; ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ; স্বাধীনতা ঘোষণা; মুজিবনগর সরকারের গঠন ও কার্যাবলী; মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল; মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তিবর্গের ভূমিকা; পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয় থেকে প্রশ্ন করা হবে। আরো প্রশ্ন আসবে বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি, বাংলাদেশের অর্থনীতি: উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন, বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশের সংবিধান: প্রস্তাবনা ও বৈশিষ্ট্য, মৌলিক অধিকারসহ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ, সংবিধানের সংশোধনীসমূহ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা: রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা, বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা: আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার, বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি থেকে।
4.আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী:
আন্তর্জাতিক অংশে ২০ নম্বরের জন্য বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি; আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক; বিশ্বের সাম্প্রতিক ও চলমান ঘটনাপ্রবাহ; আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি; আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানাদি থেকে প্রশ্ন থাকবে।
5.ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব; অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব; বাংলাদেশের পরিবেশ ও প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ; বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব; প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে।
6.সাধারণ বিজ্ঞান:
ভৌত বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান ও আধুনিক বিজ্ঞানের প্রত্যেক অংশ থেকে ৫ নম্বরের প্রশ্ন আসবে। সাধারণ বিজ্ঞানের প্রশ্নগুলো দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিজ্ঞানের অভিজ্ঞতার আলোকে অর্জিত সাধারণ উপলব্ধি থেকে করা হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থীকে বিশেষভাবে বিজ্ঞানের উপর পড়াশোনা করা থাকলেও চলবে। প্রশ্নের সেট এমনভাবে করা হবে যাতে দেশে ও বিদেশে আধুনিক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের অবদান সম্পর্কযুক্ত থাকে।
ভৌত বিজ্ঞানে প্রশ্ন আসবে পদার্থের অবস্থা, এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস এবং এর প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর, আলোক যন্ত্রপাতি, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি বিষয় থেকে।
জীব বিজ্ঞান অংশে পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, হৃদৃপিণ্ড এবং হৃদরোগ, স্নায়ু এবং স্নায়ুরোগ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন, মাইক্রোবায়োলজি, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে।
আধুনিক বিজ্ঞানে পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইব্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, জোয়ার-ভাটা, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন করা হবে।
7.কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি:
কম্পিউটার থেকে ১০ নম্বর এবং তথ্যপ্রযুক্তি থেকে ৫ নম্বরসহ মোট ১৫ নম্বরের প্রশ্ন আসবে। কম্পিউটার অংশে কম্পিউটার পেরিফেরালস: কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর; কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন: সিপিইউ, হার্ডডিস্ক, এএলইউ; কম্পিউটারের পারঙ্গমতা; দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা; কম্পিউটারের নম্বর ব্যবস্থা; অপারেটিং সিস্টেমস; এমবেডেড কম্পিউটার; কম্পিউটারের ইতিহাস; কম্পিউটারের প্রকারভেদ; কম্পিউটার প্রোগ্রাম: ভাইরাস, ফায়ারওয়াল এবং ডেটাবেইস সিস্টেম থেকে প্রশ্ন করা হবে।
তথ্যপ্রযুক্তিতে ই-কমার্স; সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, ওয়াইম্যাক্স; কম্পিউটার নেটওয়ার্ক: ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স; দৈনন্দিন জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি; স্মার্টফোন; ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব; ইন্টারনেট; নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স; ক্লায়েন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট; মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ; তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ: গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম; ক্লাউড কম্পিউটিং; সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং: ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম; রোবটিক্স; সাইবার অপরাধ বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে।
8.গাণিতিক যুক্তি:
বাস্তব সংখ্যা, ল.সা.গু, গ.সা.গু, শতকরা, সরল ও যৌগিক মুনাফা, অনুপাত ও সমানুপাত, লাভ ও ক্ষতি, বীজগাণিতিক সূত্রাবলী, বহুপদী উৎপাদক, সরল ও দ্বিপদী সমীকরণ, সরল ও দ্বিপদী অসমতা, সরল সহসমীকরণ; সূচক ও লগারিদম, সমান্তর ও গুণোত্তর অনুক্রম ও ধারা, রেখা, কোণ, ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ সংক্রান্ত উপপাদ্য, পিথাগোরাসের উপপাদ্য, বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য, পরিমিতি- সরল ক্ষেত্র ও ঘনবস্তু, সেট, বিন্যাস ও সমাবেশ, পরিসংখ্যান ও সম্ভাব্যতা থেকে প্রশ্ন থাকবে।
9.মানসিক দক্ষতা:
মানসিক দক্ষতা অংশে ভাষাগত যৌক্তিক বিচার, সমস্যা সমাধান, বানান ও ভাষা, যান্ত্রিক দক্ষতা, স্থানাঙ্ক সম্পর্ক, সংখ্যাগত ক্ষমতা থেকে প্রশ্ন করা হবে।
10.নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন:
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন অংশে এদের ব্যাখ্যা, পারস্পরিক সম্পর্ক, জাতীয় উন্নয়নে মূল্যবোধের শিক্ষা ও সুশাসনের প্রভাব বিষয়গুলো পড়তে হবে।
প্রস্তুতি শুরু করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন-
১।প্রথমে BPSC’র ওয়েবসাইট থেকে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিস্তারিত সিলেবাসটি ডাউনলোড করে ফেলুন এবং ভালোভাবে বুঝার চেষ্টা করুন।
২।কোন বই থেকে কোন অংশটুকু শিখবেন সিলেবাস দেখে দেখে সেটা মার্ক করে ফেলুন। তারপর বইগুলোর একটা লিস্ট তৈরি করে ফেলুন।
৩।এবার একটি কাগজে ঐ বইগুলোর পৃষ্ঠা নম্বর সহ লিখে ফেলুন।প্রিলি পরীক্ষার জন্য বিস্তারিত নোট করার প্রয়োজন নেই।এতে অনেক সময় নষ্ট হবে।
৪।এরপর বিগত বছরের প্রশ্নগুলো ভালমতো দেখে নিতে হবে। এতে প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে আপনার ভাল একটি ধারণা তৈরি হয়ে যাবে।
৫।বিগত বছরের প্রশ্নগুলো লক্ষ্য করলে দেখবেন- কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও কমন টপিক থেকে নিয়মিত এসে থাকে। এবার টপিকের গুরুত্ব অনুসারে পুরো সিলেবাসটিকে তিন চারটি ভাগে ভাগ করে ফেলুন।
৬। প্রথমেই গুরুত্বপূর্ণ ও কমন টপিকগুলো দিয়ে শুরু করবেন। এই টপিকগুলো ভালমত শেষ হলে দ্বিতীয়ভাগের টপিকগুলো পড়া শুরু করবেন। এভাবে ধাপে ধাপে পড়তে হবে।
৭।হালকাভাবে কোন অনেক টপিক শিখবেন না। কারণ এতে পরীক্ষার হলে গিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়তে হয়। তাই যেটুকু শিখবেন কিন্তু বিস্তারিত ও ভালমতো শিখবেন।
৮।পড়াশুনা নিয়ে মাথায় চাপ নেবেন না। আপনাকে যেসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হবে তার বেশিরভাগই আপনি স্কুল কলেজ লেভেলে শিখে এসেছেন। এবার শুধু ঝালাই করে নিতে হবে।
৯।প্রতিটি টপিকের উপর দক্ষতা অর্জনের জন্য বারবার পড়ুন। এই পরিশ্রমটাই আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
১০।বেশি বেশি লেখার অভ্যাস করুন।এতে মনে রাখতে সুবিধা হবে।
১১।নিয়মিত পড়ালেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রতিদিন কতটুকু সময় কোন বিষয় পড়বেন তা রুটিন আকারে লিখে রাখুন।



বিসিএস পরীক্ষার জন্য যোগ্যতা

বিসিএস পরীক্ষার জন্য যোগ্যতা


শিক্ষা জীবন শেষ করে সব থেকে সম্মানিত ও আকর্ষণীয় কর্মজীবনের নাম বিসিএস। বর্তমান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বা গ্র্যাজুয়েট যেকোন শিক্ষার্থী নিজ ক্যারিয়ার তৈরি করতে চান একজন বিসিএস ক্যাডার হিসেবে।

বিসিএস পরীক্ষার জন্য যোগ্যতা
বিসিএস এ অ্যাপ্লাই করার শিক্ষাগত যোগত্যাঃ
এসএসসি থেকে স্নাতক পর্যন্ত সবগুলো পরীক্ষায় যেকোন দুটিতে দ্বিতীয় শ্রেণী বা সমমান এবং ১ টি তৃতীয় শ্রেণী বা সমমান। এর নিচে হবে না।
তবে পাসকোর্স ধারীদের স্নাতকোত্তর লাগবে।
আপনারা হয়তো ভাবছেন জিপিএ বা সিজিপিএ দের পয়েন্ট কিভাবে হিসেব করা হবে?
1. SSC এবং HSC এর ক্ষেত্রেঃ
৩ বা তদুর্ধ্ব =প্রথম শ্রেণী
২ থেকে ৩ এর কম=দ্বিতীয় শ্রেণী
১ থেকে ২ এর কম=তৃতীয় শ্রেণী
2.অনার্সের ক্ষেত্রেঃ
৩ বা তদুর্ধ্ব =প্রথম শ্রেণী
২.২৫ থেকে ৩ এর কম=দ্বিতীয় শ্রেণী
১.৬৫ থেকে ৩ এর কম=তৃতীয় শেণী
তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক
বিসিএসের জন্য যে বইগুলো কিনবেনঃআমার দৃষ্টিতে সেরা বইগুলোর নাম দিলাম। আপনারা অন্যগুলো ও কিনতে পারেন:
1. ১০ম থেকে ৩৮তম বিসিএস প্রিলি প্রশ্ন সংকলন বইটি দেখা (সল্যুউশন ব্যাখ্যা সহ)
2. বাংলা ও বাংলা ২য়ঃ জর্জ এর mp3
3. ইংরেজীঃ Emglish for compitative exam ও সাহিত্যের জন্য মিরাকল
i. অক্সফোর্ড এডভান্সড লার্নার ইংলিশ গ্রামার বই
ii. যেকোনও ভালো মানের ইংরেজী ব্যকরণ বই( জাকির হোসেনের বইটা ভালো , পিসি দাশ এর টাও ভালো)
iii.প্রফেসরস / ওরাকল ইংরেজী বিসিএস প্রিলিমিনারীর বই
iv.COMMON MISTAKE >> FITICATES
v.SAIFUR’S VOCABULARY/ WORD TREASURE
vi.SAIFUR’S ANALOGY
vii.SYNONYM ANTONYM বিষয়ক যে কোন বই
৪. গণিতঃ  যদি কম বোঝেন তো ওরাকল আর ভাল বুঝলে প্রফেসরস বিসিএস
i.মানসিক দক্ষতা ও গানিতিক যুক্তি বিষয়ক বই
ii. মাধ্যমিক বীজগণিত
iii.মাধ্যমিক জ্যামিতি [পরিমিতি, ত্রিকোণমিতি ১২.৩] , নিম্ন মাধ্যমিক গণিত [৮ম শ্রেণী পাটিগণিত]
৫. বিজ্ঞানঃ ১) MP3 সিরিজের বিসিএস বিজ্ঞান সমগ্র [খুব ভালো একটা বই] ২) নিম্ন মাধ্যমিক বিজ্ঞান [৮ম শ্রেণী] ৩) মাধ্যমিক সাধারণ বিজ্ঞান [ ৯ম শ্রেণীর] ৪) পদার্থ বিজ্ঞান [৯ম শ্রেণী] ৫) রসায়ন বিজ্ঞান [৯ম শ্রেণী] ৬) জীব বিজ্ঞান [৯ম শ্রেণী]
৬. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তিঃ easy computer
৭. বাকি বিষয়গুলোর জন্য যেকোন প্রকাশনীরটা
৮. বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীঃ
১) মাধ্যমিক ইতিহাস [৯ম শ্রেণী] ২) মাধ্যমিক ভূগোল [৯ম শ্রেণী] ৩) মাধ্যমিক সামাজিক বিজ্ঞান [৯ম শ্রেণী] ৪) আব্দুল হাই এর বাংলাদেশ বিষয়াবলী
৫) সাধারণ জ্ঞানের যেকোনো ভাল বই( যেমন>প্রফেসর’স/ ওরাকল/ MP3 সিরিজের সাধারণ জ্ঞানের বই)
৬) বাংলাদেশ এবং পৃথিবীর মানচিত্র ও মানচিত্র .
♦পুনশ্চ:
বিসিএস ক্যাডার হতে গেলে আপনাকে অনেক বেশী জানতে হবে! এজন্য অনেক বেশি তথ্য মাথায় রাখতে হবে যা অসম্ভব !!
১.কি কি বাদ দিতে হবে তা খুঁজে বের করা(বিগত সালের প্রশ্ন পড়লেই বুঝতে পারবেন)
২.সব কিছু জিনিসের কিছু কিছু আর কিছু কিছু বিষয়ের সব কিছু জানতে হবে।অর্থা্ৎ গুরুত্তপূর্ণ বিষয় গুলোর গভীরে যেতে হবে।এটাও বুঝতে পারবেন লিখিত ও প্রিলির বিগত প্রশ্ন থেকেই।
৩. যা শিখবেন স্পষ্ট করে শিখবেন কোন কনফিউসন রাখবেন না, কনফিসন হলেই নেটে বেশি বেশি সার্চ দিন।
৪.গ্রুপ স্টাডি করবেন আর বেশি বেশি এক্সাম দিন/ প্রশ্ন সলভ করুন।
৫.যে কোন বিষয় বিশ্লেষন করার ক্ষমতা বাড়ান
৬.ইংরেজীতে ও গণিতে দক্ষতা বাড়ান
৭.প্রতিদিন কিছু শব্দভান্ডার বাড়ান ও ইংরেজীতে কিছু না কিছু লিখুন,আর আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভালো ভাবে প্রেজেন্ট করার চেষ্টা করুন এতে মুখের জড়তা কেটে যাবে।
৮. প্রতিদিনের নতুন নতুন জানা জ্ঞানকে নোট করুন( প্রত্যেক বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা)
৯.অযথা কোন কিছুর ছন্দ মুখস্ত করতে যাবেন না, তবে খুব ছোট হলে ভিন্ন কথা। কঠিন বিষয় গুলোকে নিজের পরিচিত কোন কিছু/ কারো সাথে মিল রাখার চেষ্টা করুন।
সবার সফলতা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।



বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় -বাউবি এসএসসি রেজাল্ট 2020

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় -বাউবি এসএসসি রেজাল্ট 2020

বাউবি এসএসসি রেজাল্ট

আপনার সক্রিয় ইন্টারনেট দিয়ে অনলাইনে আপনার ফলাফল দেখুন ও ডাউনলোড করুন। নিম্মলিখিত নির্দেশাবলী দেখুন:
  • প্রথমে https://bou.ac.bd দেখুন
  • তারপরে এসএসসি হিসাবে নির্বাচন করুন
  • পরবর্তী বাক্স এ আপনার আইডি নং লিখুন
  • পরিশেষে, ফলাফল ফলাফল বোতামে ক্লিক করুন
  • আপনার ফলাফল এখন প্রদর্শিত হবে।
    দ্রষ্টব্য: নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি  পরীক্ষার নাম এসএসসি এবং ছাত্র আইডি যথাযথ উল্লখ করেছেন কিনা।

মেসেজের মাধ্যমে জানুনঃ 
BOU <স্পেস> Student_Id   আর পাঠিয়ে দিন 2777  নম্বরে।
উদাহরণ: BOU 09024013339
বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য 2700 নম্বরে মেসেজ করতে হবে।
দ্রষ্টব্য: শিক্ষার্থী_আইডি অবশ্যই (-) ছাড়াই এগারো সংখ্যা এবং ইংরেজী তে বার্তা লিখতে হবে।
গাজীপুরে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (BOU) এর প্রধান ক্যাম্পাস অবস্থিত । এটি ২১ শে অক্টোবর ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সুতরাং, অনেক শিক্ষার্থী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর  এসএসসি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে। ওপেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রথম বর্ষ এবং ২ য় বর্ষে আকারে প্রকাশিত হবে। এখন রেজাল্টের দিন একটি বিশেষ দিন, প্রতিটি শিক্ষার্থী ফলাফল জানার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চায়। ওপেন বিশ্ববিদ্যালয় এসএসসি প্রোগ্রামের ফলাফলের জন্য বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ঐদিন সার্চ করে। আর সার্চ করে আমাদের সাইটে ঢোকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

এস এস সি পরীক্ষার ফলাফল ২০২০-দাখিল ও ভোকেশনালসহ রেজাল্ট দেখুন। 

বিউইউ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে www.bou.edu.bd দেখুন
এইচএসসি ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ ২০২০ – এইচ এস সি বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার নিয়ম

এইচএসসি ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ ২০২০ – এইচ এস সি বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার নিয়ম

এইচ এস সি বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার নিয়ম

এইচএসসি ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ আবেদন প্রক্রিয়া ২০২০ঃ
  1. পুনঃনিরীক্ষণ আবেদন শুধুমাত্র টেলিটকের প্রিপেইড মোবাইল ফোন এর মাধ্যমে করা যায়
  2. আপনার মোবাইল মেসেজে যান এবং RSC <স্পেস> টাইপ করুন শিক্ষা বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর  <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> বিষয় কোড এবং এটি ১৬২২২ তে পাঠিয়ে দিন।
  3. তারপরে আপনি একটি PIN নাম্বার সহ একটি এসএমএস পাবেন। এটি ৪ নং ধাপে দরকার পড়বে।
  4. আপনাকে অবশ্যই RSC <স্পেস> yes <স্পেস> পিন নম্বর <স্পেস> মোবাইল নম্বর টাইপ করতে হবে এবং এটি ১৬২২২ তে পাঠাতে হবে।
  5. ১৫০ টাকা আবেদন ফি কেটে নেয়া হবে।
শিক্ষা বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষরঃ
  1. DHA – Dhaka Board
  2. BAR – Barisal Board
  3. SYL – Sylhet Board
  4. COM – Comilla Board
  5. CHI – Chittagong Board
  6. RAJ – Rajshahi Board
  7. JES – Jessore   Board
  8. DIN – Dinajpur Board
  9. MAD – Madrasah Board
  10. TEC- Technical Board

এইচএসসি ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ ২০২০


ভোকেশনাল এসএসসি রেজাল্ট ২০২০-কারিগরি শিক্ষা বোর্ড রেজাল্ট এস এস সি

ভোকেশনাল এসএসসি রেজাল্ট ২০২০-কারিগরি শিক্ষা বোর্ড রেজাল্ট এস এস সি


 

ভোকেশনাল এসএসসি রেজাল্ট

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড রেজাল্ট এস এস সি

উপর থেকে আপনি সরাসরি রেজাল্ট দেখতে পারবেন।  পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুনঃ
  • উপর থেকে আপনি পরীক্ষাটি “এসএসসি (ভোকেশনাল) ssc(vocational)  নির্বাচন করুন
  • তারপরে “2020” সিলেক্ট করু
  • এখন আপনার বোর্ডকে “Technical” হিসাবে নির্বাচন করুন
  • এখন আপনার রোল নম্বর লিখুন।
  • এবং আপনার রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখুন।
  • এবার ক্যাপচা পূরণ করুন- যোগফল করে উত্তর দিন।
  •  সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন
  • আপনার রেজাল্ট শো করবে।
    নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি আপনার বোর্ডকে টেকনিক্যাল বোর্ড হিসাবে নির্বাচন করেছেন এবং সঠিকভাবে ক্যাপচা উত্তর দিয়েছেন।
ভোকেশনাল রেজাল্ট ২০২০ মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে জানুনঃ  
কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এসএসসি রেজাল্টকে ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল বলে। ভোকেশনাল এসএসসি ফলাফল এবং অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ফলাফল একই সময় প্রকাশিত হয়।
  • প্রথমে আপনার মোবাইলের এসএমএস অপশনে যান
  • তারপরে SSC স্পেস TEC স্পেস SSC Roll স্পেস 2020 লিখুন।
  • তারপরে পাঠিয়ে দিন 16222 নম্বরে।
  • উদাহরণস্বরূপ: SSC <space> TEC <space> SSC Roll <space> 2020 to 16222
  • আপনার ফলাফল পেতে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করুন
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড রেজাল্ট এস এস সি সহ  বোর্ডের  এক সাথে সারাদেশে প্রকাশ করা হবে। আপনি এখান থেকে ফলাফল যাচাই করতে পারেন বা বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। এই পোস্টটি আপনাকে ফলাফলটি পরীক্ষা করতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি জব সার্কুলার

বাংলাদেশ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি জব সার্কুলার




private university job circular 2020

বাংলাদেশ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি জব সার্কুলার

International University Of Business Agriculture & Technology ( IUBAT) 
ইউল্যাব জব সার্কুলার  
ulab university job circular


নাসা গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

নাসা গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ


পতিষ্ঠানের নামঃনাসা গ্রুপ
যোগ্যতাঃনিম্নে দেখুন
আবেদনের মাধ্যমঃডাকযোগে/অনলাইনে/ইমেইলের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের সময়সীমাঃ০৪, ১৭ ও ১৮ জুন ২০২০

নাসা গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

Check NASSA GROUP All Recent job Circular Posted On BD jobs here
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ ( ১৪১ টি পদ )

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ ( ১৪১ টি পদ )


আবেদন প্রক্রিয়া সহ বিস্তারিত তথ্য নিচে দেখুনঃ  
বেতন— তম গ্রেডে
পদ সংখ্যা ০৮ পদে
যোগ্যতাডিপ্লোমা / অনার্স / এমবিবিএস
আবেদনের সময়সীমাঃ ১৪ জুন ২০২০
এছাড়া নিচ থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখতে পারেনঃ

সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ

Bangladesh Army Civilian Job Circular 2020
শহীদ সালাউদ্দিন ঘাটাইল সেনানিবাস
পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন ( পিকেএসএফ ) এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন ( পিকেএসএফ ) এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি


আবেদন প্রক্রিয়া সহ বিস্তারিত তথ্য নিচে দেখুনঃ  
পতিষ্ঠানের নামঃপল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন
পদ সংখ্যা——–
বেতন৭০,০০০/- থেকে ৯০,০০০/-
যোগ্যতাএইচ.এস.সি/স্নাতক/ স্নাতকোত্তর ইত্যাদি।
আবেদনের সময়সীমাঃ০৭ জুন ২০২০


পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2020

Check Palli Karma-Sahayak Foundation (PKSF) All Recent job Circular Posted On BD jobs
Click Here To View Job Circular & Apply Online

Check Palli Karma-Sahayak Foundation (PKSF) All Recent job Circular Posted On BD jobs

বাংলাদেশ সিকুউরিটিজ একচেঞ্জ কমিশনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ সিকুউরিটিজ একচেঞ্জ কমিশনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি


পতিষ্ঠানের নামঃসিকুউরিটিজ একচেঞ্জ
যোগ্যতাঃস্নাতক পাশ
পদ সংখাঃনিম্নে দেখুন
বেতনঃ১৬,০০০-৩৮,৬৪০/-টাকা
আবেদনের মাধ্যমঃডাকযোগে/অনলাইনে/ইমেইলের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের সময়সীমাঃ ১৪ জুন ২০২০ পর্যন্ত


 
Source: Financial Express, 11 March 2020

Application Deadline: 14 June 2020
Visit Website: www.sec.gov.bd

সিকুউরিটিজ একচেঞ্জ নিয়োগ